Sadia Online – Web Design & Development Agency

OFFER Today Get 20% Off on Any Website Build

Contact

অবশেষে যুবশ্রী, যুব সাথী ও যুব শক্তি নিয়ে নতুন ঘোষণা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। কবে থেকে চালু হবে যুবশক্তির প্রকল্প কোথায় কিভাবে আবেদন করবেন কি কি ডকুমেন্ট লাগবে এ নিয়ে একটি নতুন আপডেট হতে এসেছে চলুন বিস্তারিত জেনে নেব আজকের ভিডিওতে। তার আগে ভিডিওটিতে একটি লাইক দিন , আর আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকলে চ্যানেলটিকে সাবস্ক্রাইব করে নিন আর যারা সাবস্ক্রাইব করে রেখেছেন তাদেরকে জানাই অসংখ্য ধন্যবাদ চলুন তাহলে আপডেটটি দেখে নেওয়া যাক

কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি দপ্তরের তরফ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ জারি করা হয়েছে।  এই নির্দেশে জানানো হয়েছে, যে সমস্ত কৃষক বন্ধু এতদিন ধরে কৃষক বন্ধু (নতুন) প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা পাচ্ছিলেন এরকম সমস্ত বর্তমান উপভোক্তার আবেদন Verification, Rationalization এবং Revalidation করা হবে।

রাজ্যের প্রকৃত ও যোগ্য কৃষকদের কাছে কৃষক বন্ধু নতুন প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দিতে এই বিশেষ যাচাই এর কাজ শুরু করছে রাজ্য সরকার।  নতুন নির্দেশ অনুযায়ী উপভোক্তাদের তথ্য PM-KISAN ডাটাবেস, আধার, ভোটার কার্ড, জমির রেকর্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, আয়কর এবং সরকারি চাকরি বা পেনশনের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে, এরপর যোগ্য ও অযোগ্য বাছাই করবেন কৃষি দপ্তর।

কেন এই কৃষক বন্ধু প্রকল্পের ভেরিফিকেশন?

নেটিশ অনুযায়ী জানা গেছে, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধা শুধুমাত্র যোগ্য কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যাতে পৌঁছে দেওয়া যায় তা নিশ্চিত করতেই এই রাজ্যব্যাপী যাচাই অভিযান শুরু হয়েছে।

সরকারি সার্কুলার অনুযায়ী জানা গেছে,

  • PM-KISAN ডাটাবেসের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে।
  • আধার নম্বর যাচাই হবে।
  • ভোটার কার্ড (EPIC) যাচাই হবে।
  • জমির রেকর্ড পরীক্ষা করা হবে।
  • ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য যাচাই হবে।
  • NPCI ভ্যালিডেশন করা হবে।
  • আয়করদাতা কিনা দেখা হবে।
  • সরকারি চাকরি বা সরকারি পেনশন পান কিনা যাচাই হবে।
  • ডুপ্লিকেট আবেদন আছে কিনা পরীক্ষা করা হবে।

মাঠ পর্যায়ে কী হবে?

সরকারি কর্মীরা বাড়ি বা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে উপভোক্তার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করবেন।
যে তথ্য নেওয়া হবে—

  • উপভোক্তার নাম
  • স্বামী/স্ত্রীর তথ্য
  • আধার নম্বর
  • ভোটার কার্ড নম্বর
  • ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য
  • জমির বিবরণ

কোন কোন নথি জমা দিতে হবে ফর্মের সাথে?

ভেরিফিকেশন ফর্মের সঙ্গে জমা দিতে হবে—

  • উপভোক্তার আধার কার্ডের ফটোকপি
  • স্বামী/স্ত্রীর আধার কার্ড (বিবাহিত হলে)
  • উপভোক্তার ভোটার কার্ড
  • স্বামী/স্ত্রীর ভোটার কার্ড (বিবাহিত হলে)
  • জমির ROR (Record of Rights)-এর কপি
  • উপভোক্তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট/পাসবুকের কপি
  • স্বামী/স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের কপি (বিবাহিত হলে)

কারা বিশেষভাবে কৃষক বন্ধুর যাচাইয়ের আওতায় থাকবেন?

সরকার নিম্নলিখিত ব্যক্তিদেরও বিশেষভাবে চিহ্নিত করবে – 

  • মৃত উপভোক্তা
  • অন্যত্র চলে গেছেন এমন ব্যক্তি
  • ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তি
  • অনুপস্থিত (Absentee) ভোটার
  • SIR-2026-এ চিহ্নিত ব্যক্তি
  • যাঁদের CAA আবেদন বিচারাধীন
  • যাঁরা SIR ট্রাইব্যুনালে আপিল করেছেন

ভেরিফিকেশনের পরে কী হবে?

কৃষক বন্ধুতে আবেদনকারী উপভোক্তার সকল তথ্য যাচাইয়ের পর—

  • পোর্টালে তথ্য আপলোড করা হবে।
  • যাচাইকারী কর্মকর্তা আবেদন Verified হিসেবে চিহ্নিত করবেন।
  • এরপর Assistant Director of Agriculture (ADA) বা অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ আবেদন অনুমোদন অথবা বাতিল করবেন।

কত দিনের মধ্যে কৃষক বন্ধু নতুন প্রকল্পের ভেরিফিকেশন বা যাচাই এর কাজ শেষ হবে?

সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, পর্যাপ্ত কর্মী পাওয়া গেলে চার সপ্তাহের মধ্যে এই যাচাই অভিযান শেষ করার চেষ্টা করা হবে।  আরও বিস্তারিত জানতে নিকটবর্তী কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

কৃষক বন্ধু ২০২৬ বড় আপডেট! ওয়েবসাইটে বদল, DBT নতুন নিয়ম, জুনে টাকা

বহু বছর ধরে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের কৃষকরা আর্থিক সহায়তা পেয়ে আসছেন। এই টাকা ব্যবহার করে অনেক ছোট ও মাঝারি কৃষক বীজ, সার, কীটনাশক এবং চাষের খরচ সামলাতেন। পাশাপাশি বাংলা শস্য বীমার মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরাও সহায়তা পেতেন।

পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টি আসার পর থেকেই বহুদিন পর থেকে রাজ্যবাসী পেতে চলেছে কেন্দ্রের সব সুবিধা। এই বিজয়ের পর পশ্চিমবঙ্গে বেশ কিছু বড় পরিবর্তন প্রত্যাশিত। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হতে পারে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের অনুমোদন।

মমতা ব্যানার্জীর সরকার এই প্রকল্পগুলিতে বাধা সৃষ্টি করেছিল। নির্বাচনের সময় এই প্রকল্পগুলি বন্ধ রাখার বিষয়টি ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রতিটি জনসভায় এই বিষয়টি উত্থাপন করছেন। তাহলে চলুন, পশ্চিমবঙ্গে শীঘ্রই বাস্তবায়িত হতে চলেছে সাতটি কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

আয়ুষ্মান ভারত যোজনা: এটি কেন্দ্রীয় সরকারের বৃহত্তম স্বাস্থ্য প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে দরিদ্ররা ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা পান। তবে, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে মতপার্থক্যের কারণে মমতা ব্যানার্জী এটি বাস্তবায়ন করতে অস্বীকার করেন এবং পরিবর্তে “স্বাস্থ্য সাথী” প্রকল্প চালান।

পিএম শ্রী স্কুল: শিক্ষাকে আধুনিক করার জন্য সারা দেশে পিএম শ্রী স্কুল খোলা হচ্ছে, কিন্তু এতদিন রাজ্য সরকার এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পটি অনুমোদন করেনি।

পিএম মৎস্য সম্পদ যোজনা: এটি জেলেদের জন্য একটি কল্যাণমূলক প্রকল্প। তবে, মমতা ব্যানার্জী সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে এই প্রকল্পের সুবিধা জেলে সম্প্রদায়ের কাছে কোনওদিন পৌঁছায়নি।

পিএম হাউজিং স্কিম: তহবিল আটকে রাখা এবং অনিয়মের অভিযোগের কারণে পশ্চিমবঙ্গে পিএম হাউজিং স্কিমের কাজও বেশ কয়েকবার ব্যাহত হয়েছে।

পিএম শস্য বীমা প্রকল্প: পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে অস্বীকার করেছিল, কিন্তু এখন বিজেপি সরকার গঠনের ফলে এটি সবুজ সংকেত পেতে পারে।

চা শ্রমিক প্রণোদনা প্রকল্প: কেন্দ্রীয় সরকার উত্তরবঙ্গের চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য চা শ্রমিক প্রণোদনা প্রকল্প চালু করেছিল, কিন্তু মমতা ব্যানার্জী এটি বাস্তবায়ন করতে অস্বীকার করেন।

পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্প: পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যে পিএম বিশ্বকর্মা প্রকল্পের বাস্তবায়নও আটকে দিয়েছিল। এই প্রকল্পটি কেন্দ্রীয় সরকার কারিগরদের কল্যাণের জন্য চালু করেছিল। এখন বিজেপি সরকার গঠনের ফলে এটি সবুজ সংকেত পেতে পারে।

শুভেন্দু অধিকারী মমতার এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে তুলেছিলেন সেই সময়। সেই সময়, বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ভারতীয় জনতা পার্টির বিধায়করা জল স্বপ্ন যোজনার উল্লেখের বিরুদ্ধে আপত্তি জানান। 

একই সঙ্গে সাংবাদিকদের বলেন যে, রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের জল জীবন মিশন প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে জল স্বপ্ন যোজনা রেখেছে এবং এই প্রকল্পের অর্থায়ন বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের কাছে চিঠি লেখার কথাও বলেছিলেন তিনি।

বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলিতে কেন্দ্রীয় সরকারের তহবিল আটকে রাখার বিষয়টি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে প্রাধান্য পেয়েছে, যার মধ্যে ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে এমজিএনআরইজিএ-র তহবিল স্থগিত রাখাও অন্তর্ভুক্ত।

তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও দাবি করেছিলেন যে, পিএম আবাস যোজনা এবং প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার তহবিলও আটকে রাখা হয়েছে। যা রাজ্য সরকার বেশিরভাগটাই কেন্দ্রের থেকে পায়নি।

বর্তমানে সরকার বদলেছে, রাজ্যে বিজেপি সরকার এসেছে, একটানা দীর্ঘ বছর রাজ্যের মানুষ যে কেন্দ্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত থেকেছে তার সুবিধাগুলি এখন থেকে পেতে পারে।

 

 

Scroll to Top